দৃষ্টিত্রুটিতে ভুগছে  শিক্ষার্থীরা

এক গবেষণায় দেখা যায় শিশুদের দৃষ্টিত্রুটির হার সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৪০ শতাংশ। এই গবেষণায় গবেষক দলের নেতা ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের শিশু চক্ষুরোগ ও স্কুইন্ট (ট্যারা) বিভাগের প্রধান ডা. মো. মোস্তফা হোসেন বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিত্রুটি শনাক্ত করা ও ত্রুটি সংশোধন করাই গবেষণাটির উদ্দেশ্য। উন্নত দেশে শিশুদের ভর্তির পরপরই স্কুলে স্কুলে গিয়ে চোখ পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশে সেভাবে বছরজুড়ে শিশুদের চোখ পরীক্ষা হয় না

গবেষণাটির শিরোনাম ‘বাংলাদেশের কিছু এলাকায় স্কুলের শিশুদের দৃষ্টিত্রুটি পরিস্থিতি’। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপনের জন্য গবেষণা প্রতিবেদনটি চলতি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্য এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অব অফথালমোলজিতে জমা দেওয়া হয়েছে। সম্মেলনটি আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের স্কুলশিক্ষার্থীদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৪ জনের দৃষ্টিত্রুটি রয়েছে। এই শিশুদের চোখের ত্রুটি সংশোধনের জন্য চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল জানিয়েছে, বহির্বিভাগে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের চোখ দেখানোর হার কম। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বহির্বিভাগে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৮৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ২১ হাজার ৮৬১টি শিশুর চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কের তুলনায় শিশুর চোখ পরীক্ষা করার হার প্রায় ১৮ শতাংশ। ২০২০ সালেও হারটি মোটামুটি একই রকম ছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.