চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথির আগমন

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাজ-পরির (বাঘ দম্পত্তির) ঘরে নতুন তিন অথিতির আগমন। চিড়িয়াখানায় এখন জনমানবশূন্য। উপদ্রবহীন সময় পার করছে পশুপাখিরা। ঠিক এমন সময় সুসংবাদ দিলো তারা। গত বৃহস্পতিবার তিনটি শাবক প্রসব করে পরি। বিষয়টি গোপন রাখা হয় এত দিন। তিনটিরই গায়ের রং লাল। সদ্যোজাত সন্তানদের পরম মমতায় আগলে রেখেছে মা।

এখনো তাদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায়নি। আরও কিছুদিন পর তা বোঝা যাবে। এর আগেও দুবার বাচ্চা প্রসব করেছিল সে। সেগুলো থেকে তিনটি বেঁচে আছে। এই তিনটিসহ তার সন্তানসংখ্যা এখন মোট ৬ ,জানিয়েছেন  চিড়িয়াখানার কিউরেটর শাহাদাত হোসেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২০১৬ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাজ ও পরিকে আনা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পরি প্রথম তিনটি বাচ্চা প্রসব করে। একটি পরদিন মারা যায়। বেঁচে থাকা দুটির মধ্যে একটি বিরল সাদা বাঘ, নাম শুভ্রা। অপরটির নাম জয়া।

গত নভেম্বরে প্রথম তিনটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল জয়া। তখনো ঠিকমতো যত্ন নিত না জয়া। সেগুলোর মধ্যেও দুটি মারা যায়। একটি বাচ্চাকে মায়ের খাঁচা থেকে বের করে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন কিউরেটর শাহাদাত হোসেন ও চিড়িয়াখানার কর্মীরা। নিজের হাতে দুধ খাওয়ানো, গোসল করানো, শিকার ধরতে শেখানোসহ সব তালিম দিয়েছেন তাঁরা। তার নাম রাখা হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নামে। সপ্তাহখানেক আগে বাইডেনকে পৃথক একটি খাঁচায় রাখা হয়। এখন সে স্বাবলম্বী, নিজের খাবার নিজেই খেতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার তিনটি শাবক প্রসব করে পরি। বিষয়টি গোপন রাখা হয় এত দিন। তিনটিরই গায়ের রং লাল। জন্মের পর আলাদা খাঁচায় মা ও তিন শাবকের জায়গা হয়েছে। সেখানে সদ্যোজাত সন্তানদের পরম মমতায় আগলে রেখেছে মা। আগের তিন শাবক বড় হয়ে গেছে। চার দিন আগে জন্ম নেওয়া নতুন তিন অতিথি তাদেরই ভাইবোন। আগের বাচ্চাগুলোর মতো পরি আগলে রেখেছে নতুনদেরও। সারাক্ষণ শাবকদের আদরযত্ন নিয়ে ব্যস্ত সে। সদ্যোজাত সন্তানদের দুধ খাওয়ানো, গায়ে বিলি কাটা—কী না করছে মা পরি।

অথচ পাশে পরির মেয়ে জয়ার খাঁচায় পুরোপুরি উল্টো চিত্রের দেখা মেলে। জয়াও এ পর্যন্ত দুবার মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছে। কিন্তু পরির মতো তার মধ্যে এখনো মাতৃস্নেহের দেখা মেলেনি। ৭ মে দুটি শাবকের জন্ম দেয় জয়া। কিন্তু আদরযত্ন ও দুধের অভাবে দুইদিনের মধ্যে দুটিই মারা যায়।

এর আগে গত নভেম্বরে প্রথম তিনটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল জয়া। তখনো ঠিকমতো যত্ন নিত না জয়া। সেগুলোর মধ্যেও দুটি মারা যায়। একটি বাচ্চাকে মায়ের খাঁচা থেকে বের করে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন কিউরেটর শাহাদাত হোসেন ও চিড়িয়াখানার কর্মীরা। নিজের হাতে দুধ খাওয়ানো, গোসল করানো, শিকার ধরতে শেখানোসহ সব তালিম দিয়েছেন তাঁরা। তার নাম রাখা হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নামে। সপ্তাহখানেক আগে বাইডেনকে পৃথক একটি খাঁচায় রাখা হয়। এখন সে স্বাবলম্বী, নিজের খাবার নিজেই খেতে পারে।

শাহাদাত হোসেন  বলেন, ‘জয়া ঠিকমতো শাবকদের যত্ন করে না। মারমুখী আচরণ করে। যার জন্য বাইডেনকে আলাদা করে কোনোরকমে বাঁচাতে পেরেছিলাম। এবারও জয়া দুটি বাচ্চাকে খাবার দেয়নি। আশপাশে কর্মীদের কেউ গেলে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে হুংকার দিচ্ছে পরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *