দুই মাস পয়ঃবর্জ্য ফেলা বন্ধের নির্দেশ

রোববার এ বিষয়ে একটি নোটিস জারি করে উত্তর সিটি করপোরেশন বলেছে, ওই সময়ের মধ্যে তা না করলে ‘আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।সেখানে বলা হয়, সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনায় সরকারি বিধি অনুযায়ী সেপটিক ট্যাংক ও সোকওয়েল স্থাপন করার কথা।

৩১ মার্চের মধ্যে সব বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার অবৈধ পয়ঃনিষ্কাশন লাইন নিজ উদ্যোগে বিচ্ছিন্ন করে সেপটিক ট্যাংক ও সোকওয়েল স্থাপন করার জন্য ঢাকা উত্তরের বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হয়েছে নোটিসে।

“তারপরও অনেক বাসাবাড়ি ও স্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সরাসরি ডিএনসিসির বিভিন্ন স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন, খাল, লেক ও জলাশয়ে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এবং স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন ঢাকায় ১৫ লাখ ঘনমিটার পয়ঃবর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার ২০ শতাংশ রয়ে যায় উৎসে। আর মাত্র সাড়ে ৪০ হাজার ঘনমিটার যায় পাগলা পয়ঃশোধনাগারে। বাকি ১১ লাখ ৬০ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য অপরিশোধিত অবস্থায় নিঃসরিত হয়ে নদীতে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.