নিউজিল্যান্ড পাকিস্তানের  লড়াই

জিতে নিউজিল্যান্ড যখন পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল।এমনিতেই সবুজ উইকেট, তার ওপর নিউজিল্যান্ডের কার্যকর ফাস্ট বোলিং। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের অবস্থা কতটা খারাপ হবে, এমন চিন্তাই ছিল শুরুতে। তবে দিন শেষে তাদের সংগ্রহটা মন্দ হয়নি। এ উইকেটে কিউই ফাস্ট বোলারদের দাপটের মধ্যেও ২৯৭—যথেষ্ট ভালোই বলা চলে। ব্যাটিংয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেও মাত্র ৭ রানের জন্য যে সেঞ্চুরি পাননি তিনি।

৮৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা পাকিস্তান স্কোরবোর্ডে দিন শেষে ২৯৭ দেখে আনন্দিতই হবে। টিম সাউদির বলে এলবিডব্লুর শিকার হন তিনি। এরপর একে একে ফেরেন আবিদ আলী, হারিস সোহেল ও আগের টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান ফাওয়াদ আলম। এ তিন উইকেটই কাইল জেমিসনের। এমন একটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে সাবেক অধিনায়ক আজহার আলীর ব্যাট কথা বলেছে। দারুণ খেলেছেন তিনি।

প্রথমটা অবশ্য আবিদ আলীর সঙ্গে—দ্বিতীয় উইকেটে ৬২। এরপর পঞ্চম উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে ৮৮ আর ষষ্ঠ উইকেটে ফাহিম আশরাফের সঙ্গে ৫৬। এই তিন জুটিতেই পাকিস্তান শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে একটা সম্মানজনক সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায়। আজহারের দুই যোগ্য সঙ্গী রিজওয়ান আর ফাহিম। রিজওয়ান ৭১ বলে ৬১ করেন, ফাহিমের সংগ্রহ ছিল ৮৮ বলে ৪৮। আজহার ৯৩ করেন ১৭২ বল খেলে, ১২ বাউন্ডারিতে। অভিষিক্ত জাফর গওহরও খারাপ করেননি—৬২ বলে ৩৪ রান করে ফেরেন তিনি। শেষ দিকে নাসিম শাহের ১২ দলের সংগ্রহ ২৯৭-তে নিয়ে যায়।

নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার জেমিসন—৬৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট—দুজনই নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাট হেনরি নিয়েছেন ১ উইকেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published.