২ হাজার ৪৬ জন অফিসার নেবে ৯ টি ব্যাংক ।

তরুণদের পছন্দের একটি পেশা হচ্ছে ব্যাংক চাকরি। এর প্রধান কারণ হলো ব্যাংকিং সেক্টরে কাজের ভালো পরিবেশ; বেতন-কাঠামো ভাল; বছরে বেশ কয়েকটি ইনসেনটিভ, যা অন্য বহু প্রতিষ্ঠানে নেই। আছে নিয়মমাফিক ইনক্রিমেন্ট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি।

ব্যাংকারদের রয়েছে সামাজিক মর্যাদার পাশাপাশি রয়েছে চাকরির নিরাপত্তা ও পেনশনের ব্যবস্থা। রয়েছে হাউস লোন, কার লোন। মোটকথা কেউ ব্যাংকে চাকরি পেলে তার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত। সম্প্রতি ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ৯ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সমন্বিতভাবে ২ হাজার ৪৬ জন অফিসার (জেনারেল) পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তাই এসব ব্যাংকে আবেদন করে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতার ভিত্তিতে আপনিও আবেদন করতে পারেন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে ৩১৫, জনতা ব্যাংক লিমিটেডে ৩৬৯, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে ৪৭০, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ১৪, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ৫৩০, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ২৮৯, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ৪৭, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে ৫ এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকে ৭ জন অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে অফিসার (জেনারেল) পদে আবেদন করা যাবে। এসএসসি বা সমমান এবং এর পরবর্তী পর্যায়ের পরীক্ষায় কমপক্ষে দুইটিতে প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। ১ জুলাই ২০১৯ তারিখে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং প্রতিবন্ধী প্রার্থী ছাড়া সব প্রার্থীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন স্কেল: নিয়োগপ্রাপ্তদের জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী,

১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা স্কেলে বেতন এবং নিয়মানুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদনের নিয়ম

erecruitment.bb.org.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। অনলাইনে আবেদনের সময় পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০ টাকা ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পেমেন্ট গেটওয়ে রকেটের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৮ মার্চ, ২০২০ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

নতুন আবেদনকারীদের নিবন্ধন করতে হবে। প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম এসএসসি বা সমমানের সনদে যেভাবে লেখা আছে, অনলাইন ফরমে সেভাবে পূরণ করতে হবে। ফলাফলের ঘরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের প্রকাশিত পরীক্ষার ফলের তারিখ উল্লেখ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার পর ট্র্যাকিং নম্বরযুক্ত ফরমটি সংরক্ষণ করতে হবে। যথাযথভাবে আবেদনের পর সিভি আইডেনটিফিকেশন নম্বর, ট্র্যাকিং নম্বর ও অ্যাপ্লিকেন্ট কপি প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে।

পরবর্তী সময় প্রবেশপত্র নেওয়ার জন্য এগুলো কাজে লাগবে। প্রবেশপত্র ওয়েবসাইট থেকেই ডাউনলোড করা যাবে। প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। লিখিত পরীক্ষার পর মৌখিক পরীক্ষার সময় সব একাডেমিক পরীক্ষার সনদ, জাতীয়তার সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, চারিত্রিক সনদের সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে।

নিয়োগ পরীক্ষা: বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রার্থীদের এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কিংবা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে।

Are you happy ? Please spread the news